মেনু নির্বাচন করুন

উন্নয়ন মেলা ২০১৮

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সামনে রেখে প্রতিবছর পালন করা হয় ‘উন্নয়ন মেলা’। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছিলেন। প্রতিবছর এই দিনটি সভা-সেমিনার ও র‌্যালি আয়োজনের মাধ্যমে পালিত হয়ে এলেও ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে মেলার মাধ্যমে উদ্‌যাপিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালেও উন্নয়ন মেলা পালিত হয়েছে সকল জেলা, উপজেলায়। বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে দেশ কতটুকু এগিয়েছে সেসব বিষয় উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। শুধু তাই নয়, জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সরকার কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেসব বিষয় তুলে ধরতে বিদেশী উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের উন্নয়ন মেলায় আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প যা ইতোমধ্যে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে রূপান্তর করা হয়েছে। ছিন্নমূল ও গৃহহীনে আশ্রয়দানের লক্ষ্যে আশ্রায়ণ প্রকল্প, আধুনিক পাঠক্রম ও জনগণের দোরগোড়ায় ‘ই’ সেবা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা বৃত্তি ও বই বিতরণের উদ্দেশ্যে শিক্ষা সহায়তা, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুত, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, অসহায় নাগরিকদের সহায়তায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচীতে সরকার দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। এতে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিভিন্ন সূচক বিশেষ করে মাথাপিছু আয় ও খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে, মাতৃমৃত্যুর হার কমে গেছে, বৈদেশিক রেমিটেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে, গড় আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিশু মৃত্যুহার কমে গেছে। তাই সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা জনগণকে অবহিত করতে এবং এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতেই এ উন্নয়ন মেলা।


Share with :

Facebook Twitter